রামুর খুনিয়া পালংয়ে নৌকায় ভোট দেয়ায় বসতবাড়ি ও দোকানপাটে হামলা

প্রকাশিত: ৪:২২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং এ নৌকায় ভোট দেয়ায় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের বাড়ি, ঘর, দোকান পাটে হামলা, ভাংচুর, লোটপাট চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিজয়ী বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল হক কোম্পানীর সমর্থকরা এই হামলায় অংশ নিয়েছে বলে দাবি করেন পরাজিত প্রার্থী সাংবাদিক আবদুল মাবুদ।

এদিকে বিজয়ী প্রার্থী আবদুল হক কোম্পানী অভিযোগ অস্বীকার করেন বলেন, হয়তো তাঁকে বিপদে পেলতে কিছু অতিউৎসাহি কর্মী সমর্থক তাঁর অগোচরে এই রকম ঘটনা ঘটিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সারাদেশের ন্যায় দ্বিতীয় ধাপে কক্সবাজারের ২১ ইউপিতে সুষ্ঠু ভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের দুই বারের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান অনুষ্টিত নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সাংবাদিক আবদুল মাবুদকে ৪৮ ভোটে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল হক কোম্পানী।

বিজয়ে হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে আবদুল হক কোম্পানীর কর্মী সমর্থক পরাজিত প্রার্থী আবদুল মাবুদের কর্মী সমর্থকদের উপর হামলায় জড়িয়ে পড়ে।

খুনিয়াপালংয়ের দুই বারের চেয়ারম্যান সাংবাদিক আবদুল মাবুদ দাবি করেন, নির্বাচনের দিন রাতে ফলাফল ঘোষণা পরপরই খুনিয়া পালংয়ে গোয়ালিয়ায় ২টি নৌকার অফিস পুড়িয়ে দেয় এবং ২টি ঘরবাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা করে। সাবেক ইউপি সদস্য হাজী জকরিয়ার বাসায় হামলা করে এবং অপরটি ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক সরওয়ারের বাসায় ও দোকানে হামলা করে।

এছাড়া শুক্রবার রাতে খুনিয়া পালংয়ের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ফরিদের বাসায় হামলা চালান। তার বাড়ি ভাংচুর করে সন্ত্রাসীরা। এবং একই সাথে দারিয়ারদিঘী রফিক শিশিরের বাড়িতে ইট পাটকেল ছুঁড়ে সন্ত্রাসীরা।

পরবর্তীতে ৯৯৯ কল দিয়ে পুলিশ আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যান।

আবদুল মাবুদ আরও দাবি করেন, শুধু বাড়ি ঘরে হামলা নয়, কর্মী সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে আবদুল হকের লোকজন। অনেক নেতা কর্মী এলাকা ছাড়া হয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রামু থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল হোসাইন বলেন, খুনিয়াপালংয়ে কিছু বিছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বড় ধরনের ঘটনা না ঘটার জন্য শুক্রবার রাত দেড়টা পর্যন্ত ইউএনওসহ পুলিশ ওই এলাকায় ছিলেন।